ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ৫ আগস্ট ২০২১, ২১ শ্রাবণ ১৪২৮

ঢাকা-গাজীপুর রুটে আজ থেকে ৩ বিশেষ ট্রেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: | প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২১ ১২:০২; আপডেট: ২০ জুন ২০২১ ১২:১৮

সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে রোববার (২০ জুন) থেকে গাজীপুর-টঙ্গী-ঢাকা রুটে চালু হচ্ছে ৩টি বিশেষ ট্রেন। গাজীপুরের জয়দেবপুর-টঙ্গী হয়ে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে টঙ্গী হয়ে গাজীপুর পর্যন্ত এ বিশেষ ট্রেন চালু হবে।

বিশেষ এই ট্রেনগুলো হচ্ছে- তুরাগ এক্সপ্রেস ট্রেন, টাঙ্গাইল কমিউটার এবং কালিয়াকৈর কমিউটার।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঢাকা-গাজীপুর অংশে যানজটের দুর্ভোগ লাঘবে এই ট্রেন সেবা চালু হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে এর আগে ট্রেনগুলোর চলাচল বন্ধ ছিল।

বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, তুরাগ এক্সপ্রেস ট্রেনটি গাজীপুর থেকে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ছাড়বে ঢাকার উদ্দেশে। এটি ঢাকা থেকে ছাড়বে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে।

কালিয়াকৈর কমিউটার গাজীপুর থেকে ছেড়ে যাবে বিকেল সাড়ে ৫টায়। পরদিন ঢাকা থেকে এটি ছাড়বে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে। টাঙ্গাইল কমিউটার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গাজীপুর থেকে ছেড়ে যাবে ও ঢাকা থেকে ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টায়।

জন দুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় রেখে ঢাকা-গাজীপুর রুটে বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালুর বিষয়ে উদ্যোগ নেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। তিনি গত বুধবার (১৬ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছিলেন। তারপর বাংলাদেশ রেলওয়ে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফেসবুকে লেখেন, ‘এই দুর্ভোগের হাত থেকে মানুষকে কিছুটা হলেও রক্ষা করতে আজ (১৬ জুন) রাতে মাননীয় রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আগামী রোববার থেকে গাজীপুর থেকে টঙ্গী হয়ে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে টঙ্গী হয়ে গাজীপুর পর্যন্ত বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এ জন্য মাননীয় রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। জনগণের দুর্ভোগ লাগবে আমার পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সব ধরনের উন্নয়ন প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ঢাকার বিমানবন্দর পর্যন্ত রাস্তায় যানজটে আটকা পড়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বর্ষা মৌসুমেও এই রাস্তায় বিআরটিএ প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় প্রতিদিন অবর্ণনীয় ভোগান্তি পড়তে হচ্ছে অফিসগামী মানুষকে। ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা ৩৭টি জেলার মানুষকেও। যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয় তাদের।

তিনি লেখেন, ‘গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত রাস্তাটিকে যানজটমুক্ত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিআরটি প্রজেক্ট আমাদের উপহার হিসেবে দিয়েছেন। কিন্তু ঠিকাদারদের ক্রমাগত দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে অনেক বছর ধরে ধীর গতিতে কাজ করায় মানুষের দুর্ভোগের কোনো সীমা নেই। আবার যখন বর্ষাকাল আসে এই দুর্ভোগ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। বিআরটি প্রজেক্টে দায়িত্বপালনরত সচিব, পিডিসহ সবাইকে প্রায় প্রতিদিনই কয়েকবার করে ফোন করছি যাতে টঙ্গী গাজীপুরবাসীসহ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী প্রায় ৩৭টি জেলার মানুষদের এই দুর্ভোগের হাত থেকে দ্রুত রক্ষা করা যায়।

সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসনসহ সবাই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে। গাজীপুর যাওয়ার সব বিকল্প রাস্তাগুলোয় একসঙ্গে কাজ চলমান থাকায়, সেই রাস্তাগুলো বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে না পারায় এই দুর্ভোগ যেন আরও বেড়ে গেছে।’




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top