ঢাকা সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮

পিএসজি-কে হারিয়ে বায়ার্নের বিদায়

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল ২০২১ ১৩:১৩; আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২১ ১৩:২৮

বায়ার্ন মিউনিখ ম্যাচ জয়ের পরও আফসোস করতেই পারে। কারণ জয়টি শুধু একটি গোলের ব্যবধান হলেই সেমির টিকিট মিলতো। কিন্তু সেই সুযোগ দেয়নি প্যারিস জায়ান্টরা।

 

ম্যাচ শুরুতেই ব্যাকফুটে ছিল জার্মান জায়ান্ট গতবারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ।

ঘরের মাঠে বায়ার্ন পিএসজির কাছে হেরেছিল ৩-২ গোলের ব্যবধানে। তাই এই ম্যাচে ম্যাচ জিতলেই হতো না, নুন্যতম ২-০ গোলের ব্যবধান এর জয় দরকার ছিল। কিন্তু এখানে ব্যর্থ বায়ার্ন আর জয়ী পিএসজি। ম্যাচটি ১-০ গোলের ব্যবধানে শেষ করে।

স্প্যানের জায়ান্ট রিয়েলের পর দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে চ্যাম্পিয়ন লিগের শততম ম্যাচ খেলে ফেললো বায়ার্ন। শততম ম্যাচে জয় দিয়ে মাঠ ছাড়লেও কোয়ার্টার থেকেই বিদায় নিতে হলো হান্সি ফ্লিকের দলের।

 

প্যারিসের এই মাঠে দর্শকদের ঢোকার অনুমতি ছিল না, কিন্তু মাঠের বাইরে খেলার শুরুতেই চোখ ধাঁধানো আতশবাজির ফোয়ারা উঠেছে আকাশে। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমনের পসরা সাজিয়ে খেলতে থাকে দু-দল। আক্রমনের সংখ্যা কম ছিল না এই ম্যাচে। নেইমারের দুটি প্রচেষ্টাতে বাধা হয়ে দাড়ায় গোলবার। না হলে ব্যবধান হতেও পারতো অন্যরকম। কিন্তু দুর্ভাগ্য নেইমারের। 

 

 

বায়ার্ন আক্রমণ শানিয়েছে ম্যাচের শুরুতেই। কিন্তু গোলের দেখা পায়নি। চব্বিশ মিনিটে মুলারের শট পিএসজির ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করেন।

 

ঘরের মাঠে পিএসজির খেলোয়াররা বল পায়ে পেলেই ভয়ংকর হয়ে উঠার চেষ্টা করে বার বার। বিশেষ করে নেইমার - এমবাপ্পেরা। ২৭ মিনিট থেকে ৩৯ মিনিটের মধ্যে তাদের চারটি গোলের প্রচেষ্টা ছিল দেখার মতো।

 

পরের মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে সানের বাঁ-পায়ের শট বক্সেরক্রস বারের পাশ দিয়ে যায়। ২৭মিনিটে এমবাপ্পের কাটব্যাক থেকে নেইমারের সামনে তখন বায়ার্ন গোলকিপার নুয়্যার। নেইমার তার গায়ে মেরে সুবর্ণ সুজোগটি নষ্ট করে।

 

 

৩৪ মিনিটে নেইমারের প্রচেষ্টাও ব্যর্থ। ৩৭ মিনিটে বক্সে ঢুকে নেইমার শট নিলেও তা ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে হতাশা বাড়ে পিএসজির। আর দুই মিনিট পর নেইমার আরও একটি শট পোস্টের নিচে লেগে ফিরে আসলে গোল পাওয়া হয়নি ব্রাজিল সুপার স্টারের।

বায়ার্ন সুযোগ পেয়েই আক্রমনে উঠেছে বার বার। ৪০মিনিটে গোলও পেয়েছে। আলবার শট পিএসজির গোলকিপার নাভাস ফিরিয়ে দিলে এরিক ম্যাক্সিম চোওপো মোটিং হেডে গোল করে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন। ৪৩ মিনিটে আলবার বক্সের বাইরের থেকে নেওয়া শট গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়ে  রুখে দিয়ে বায়ার্ণকে ব্যবধান বাড়াতে দেননি নাভাস।

 

 

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই চেষ্টা করেছে ব্যবধান বাড়াতে। পাল্টাপাল্টি আক্রমনের খেলা জমে উঠে। কিন্তু গোলের দেখা পায়নি কোন দলই। ৫৩মিনিটে দি মারিয়ার পাসে ফাঁকায় নেইমার পা ছোঁয়াতে পারেননি।আর ৭৮ মিনিটে এমবাপ্পের গোল অফসাইডের কারণেবাতিল হয়। 

মুলারের একটি শটতো পিএসজির গোলকিপার নাভাসের শরীরে লেগে প্রতিহত হয়। আর এই মৌসুমে বায়ার্ন তাই চ্যাম্পিয় লীগের ট্রফি ধরে রাখতে পারলো জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top