ঢাকা শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

নেইমার ছিল নিস্প্রভ আর ইনজুরির কারণে খেলতে পারেনি এমবাপে

পিএসজিকে বিদায় করে ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশিত: ৫ মে ২০২১ ১০:৪৩; আপডেট: ৫ মে ২০২১ ১৫:৩১

নেইমার ছিল নিস্প্রভ আর চোটের কারণে ছিলেনা এমবাপে। পিএসজির হতশ্রী ফুটবলের বিপরীতে নজরকাড়া অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখালো ম্যানচেস্টার সিটি। আরেকটি দুর্দান্ত জয়ে ম্যানচেস্টার সিটি চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালে পৌঁছে গেল। 

 

 

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে সেমি-ফাইনালের ফিরতি লেগে ২-০ গোলে পিএসজি-কে পরাজিত করে সিটি। দুই অর্ধে একবার করে বল জালে পাঠান রিয়াদ মাহরেজ। প্রথম সেমির মতো দ্বিতীয় সেমিতেও লাল কার্ড পেয়ে দ্বিতীয়ার্ধের মাঝপথে ১০ জনের দলে পরিণত পিএসজি। যেখান ১১জন নিয়েই সিটির বিপক্ষে লড়াই করতে হচ্ছিল সেখানে ১০জন নিয়ে বাকি সময় দাড়াতেই পারেনি পিএসজি।

 

পিএসজির মাঠে ২-১ গোলে ম্যাচ জিতে এমনিতেই ম্যানসিটি এক পা দিয়ে রেখেছিল ফাইনালের পথে। আর নিজেদের মাঠেতে পিএসজি-কে আকাশ থেকে মাটিতে নামিয়ে দিল পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যান সিটি। ম্যান সিটি নিজেদের মাঠে ২-০ গোলে পিএসজি-কে পরাজিত করে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-১ ব্যবধানে উঠে গেলো স্বপ্নের ফাইনালে উঠল পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যান সিটি।  

 

 

তুষারে মাঠের অনেকটা জায়গা ঢেকে ছিল। তাতে ফুটবলের স্বাভাবিক ছন্দ কিছুটা বিঘ্ন হয়। বিরতির পর আবার নামে বৃষ্টি। তবে কোনো কিছুই থামাতে পারেনি দুর্দান্ত সিটিকে। পিএসজির জন্য হিসেবটা আগে থেকেই ছিল বেশ কঠিন। শুধু জিতলেই হতো না, ব্যবধানটাও রাখতে হতো যথেষ্ট। তেমন কিছুর সম্ভাবনাও জাগাতে পারেনি তারা। পুরো ম্যাচে একটি শটও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি মাওরিসিও পচেত্তিনোর দল।

 

 

শুরুটা অবশ্য খারাপ ছিল না সফরকারীদের। প্রথম মিনিট থেকে চাপ তৈরি করে তারা। তাদের আশার পালে দোলা দেয় ষষ্ঠ মিনিটের পেনাল্টির বাঁশি। তবে টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় অলেকসান্দার জিনচেঙ্কোর কাঁধে বল লেগেছিল, ভিএআরে পাল্টায় সিদ্ধান্ত।

 

পাঁচ মিনিট পরেই গোল খেয়ে বসে পিএসজি। দারুণ এক প্রতি-আক্রমণে কেভিন ডে ব্রুইনের শট মার্কিনিয়োসের পায়ে লেগে বল চলে যায় ডান দিক। ছুটে গিয়ে জোরালো কোনাকুনি শটে কেইলর নাভাসকে পরাস্ত করেন মাহরেজ। প্রথম লেগে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেছিলেন আলজেরিয়ার এই মিডফিল্ডার।

 

একটু পর দুই মিনিটে ভালো দুটি সুযোগে সুযোগ পায় পিএসজি; কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি তারা। প্রথম দেখায দলের একমাত্র গোলটি করা মার্কিনিয়োসের হেড ক্রসবারে বাধা পায়। পরের সুযোগটি আসে প্রতিপক্ষের ভুলে; কিছুটা এগিয়ে গিয়ে সতীর্থকে পাস দিয়েছিলেন এদেরসন, দারুণ ক্ষিপ্রতায় ওই বল ধরেই শট নেন দি মারিয়া। একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।  

 

বিরতির আগে আবারও ভীতি ছড়ান মাহরেজ। তবে এ যাত্রায় তার দুরূহ কোণ থেকে নেওয়া শট পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন নাভাস। 

পিএসজি বিরতির পরও খেলতে থাকে সাদামাটা ফুটবল। বারবার আক্রমণে উঠলেও প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙতে না পেরে এলোপাথারি শট নিচ্ছিল নেইমার-দি মারিয়ারা।

৫৪তম মিনিটে দারুণ সুযোগ পায় সিটি। তবে ফিল ফোডেনের জোরালো শট দারুণ নৈপুণ্যে ঠেকিয়ে দলকে লড়াইয়ে রাখেন নাভাস। তবে এর ১০ মিনিট পরই ম্যাচ প্রায় শেষ করে দেন মাহরেজ।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top